এক নজরে বিষ্ণুপুর: ইতিহাস, শিল্পকলা ও কেনাকাটার সেরা ঠিকানা
ঐতিহাসিক বিষ্ণুপুর ভ্রমণ গাইড 🏛️
পোড়ামাটির মন্দির, মল্ল রাজাদের ইতিহাস এবং বালুচরী শাড়ির শহর
আপনি কি ইতিহাসের পাতায় ডুব দিতে ভালোবাসেন? তবে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর আপনার তালিকায় শীর্ষে থাকা উচিত। মল্ল রাজাদের শাসনামলে তৈরি হওয়া অসাধারণ স্থাপত্য এবং পোড়ামাটির কাজ দেখে আপনি মুগ্ধ হতে বাধ্য।
[বিষ্ণুপুরের রাসমঞ্চের ছবি]
বিষ্ণুপুরের প্রতীক - বিখ্যাত রাসমঞ্চ
🏛️ সেরা দর্শনীয় স্থান
- রাসমঞ্চ: মল্ল রাজাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য।
- জোড়বাংলা মন্দির: টেরাকোটা শিল্পের সূক্ষ্ম কাজ।
- মদনমোহন মন্দির: জীবন্ত ভাস্কর্যের নিদর্শন।
- দলমাদল কামান: মারাঠা বীরত্বের ইতিহাস।
🎨 শিল্প ও সংস্কৃতি
- বালুচরী শাড়ি: তাঁতশিল্পের বিস্ময়।
- পোড়ামাটির ঘোড়া: বাংলার অন্যতম পরিচয়।
- বিষ্ণুপুরী গান: ধ্রুপদী সঙ্গীতের ধারা।
- মিষ্টি: বিখ্যাত বিষ্ণুপুরী মোয়া ও সরভাজা।
📍 যাতায়াত ও খরচের ধারণা
| কিভাবে যাবেন? | কলকাতা থেকে রূপসী বাংলা বা আরণ্যক এক্সপ্রেসে ৩-৪ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়। সড়কপথে ৫ ঘণ্টা। |
|---|---|
| সেরা সময় | অক্টোবর থেকে মার্চ (শীতকাল)। এছাড়া পৌষ মেলা দেখার জন্য ডিসেম্বর শেষ সপ্তাহ দারুণ। |
| থাকার খরচ | বাজেট হোটেল থেকে সরকারি ট্যুরিস্ট লজ— দিনে ১২০০-৩০০০ টাকার মধ্যে ভালো ব্যবস্থা মিলবে। |
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন